Upcoming Events

No upcoming events.

ফুলবাড়ীতে উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলন প্রচেষ্টার প্রতিবাদে লন্ডনে জিসিএমের বার্ষিক সাধারণ সভার সামনে প্রতিবাদ সমাবেশে যোগ দিন। তারিখ: ৯ ডিসেম্বর, সময়: ১০:৩০ -১২টা, স্থান: ৪ হ্যামিলটন প্লেস, লন্ডন, W1J 7BQ

ফুলবাড়ীতে উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলন প্রচেষ্টার প্রতিবাদে লন্ডনে জিসিএমের বার্ষিক সাধারণ সভার সামনে প্রতিবাদ সমাবেশে যোগ দিন। তারিখ: ৯ ডিসেম্বর, সময়: ১০:৩০ -১২টা, স্থান: ৪ হ্যামিলটন প্লেস, লন্ডন, W1J 7BQ, নিকটতম টিউব স্টেসন: হাইড পার্ক কর্নার

ব্রিটিশ কোম্পানি গ্লোবাল কোল ম্যানেজমেন্ট (জিসিএম)পিএলসি-র বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হবে ৯ ডিসেম্বর ২০১৪। ঐ দিন জিসিএমের বার্ষিক সাধারণ সভার সামনে এক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিবাদ সমাবেশে অংশ নেবার জন্য আপনাদের অনুরোধ জানাচ্ছি।বাংলাদেশের দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে উর্বরতম ১৪,৬৬৬ একর কৃষি জমি স্থায়ীভাবে ধ্বংস করে, ২ লক্ষ মানুষকে বাস্তুচ্যুত করে, ৩৫ বছরব্যাপী অবিরাম পানি উত্তোলনের মাধ্যমে ঐ অঞ্চলের পানির স্তর ২০-২৫ মিটার নামিয়ে ফেলে, ২২০,০০০ মানুষের পানির উৎস ধ্বংস করে এবং বাংলাদেশের জন্য মাত্র ৬ শতাংশ উৎপাদন অংশীদারিত্বে উন্মুক্ত পদ্ধতির কয়লা উত্তোলন বাংলাদেশের জন্য কোন সুফল বয়ে আনবে না। ২০১২ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি জাতিসংঘ স্পেশাল রিপোর্টিয়ার্সগণ এক বিবৃতিতে লক্ষ লক্ষ মানুষকে বাস্তুচ্যুত করে মৌলিক মানবাধিকার লঙ্ঘন, পরিবেশ ও প্রকৃতি ধ্বংসর অভিযোগ তুলে অবিলম্বে ফুলবাড়ী কয়লা প্রকল্প বাতিলের জোর সুপারিশ করেন।

২০০৬ সালের ২৬ আগষ্ট ফুলবাড়ীতে প্রায় লক্ষাধিক মানুষ এশিয়া এনার্জির (বর্তমানে জিসিএম)কয়লা প্রকল্পের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে সমবেত হয়েছিলেন। সরকারের বাহিনী জিসিএমের প্ররোচনায় শান্তিপূর্ণ সমাবেশের উপর গুলি চালিয়ে ৩ জনকে হত্যাসহ ২ শতাধিক মানুষকে আহত করে। অতঃপর, আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়, অংশ নেন সারাদেশের মানুষ। ৩০ আগষ্ট ‘ফুলবাড়ী চুক্তি’স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে জনগণের বিজয় সূচিত হয়। কিন্তু চক্রান্ত থামেনি। সরকারের অঙ্গীকার সত্ত্বেও এখনও পর্যন্ত চুক্তি বাস্তবায়ন হয়নি।
বাংলাদেশ সরকারের সাথে কোন চুক্তি বা আইনগত ভিত্তি ছাড়াই লন্ডনে অফিসসর্বস্ব দেউলিয়া প্রায় জিসিএম ফুলবাড়ীর কয়লা খনি দেখিয়ে লন্ডন শেয়ার বাজারে প্রতারণাপূর্ণভাবে ব্যবসা করে চলেছে। শেয়ার ব্যবসার মুনাফার একাংশ ছড়িয়ে তারা বাংলাদেশে দালাল তৈরী করেতে চাইছে। আবারো তারা ফুলবাড়ীতে কয়লা উত্তোলনের জন্য মরীয়া হয়ে উঠেছে। গত বছর জিসিএমের প্রধান নির্বাহী ফুলবাড়ি সফর করতে চাইলে ফুলবাড়ীতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরী হয়। ২৬ নভেম্বর জিসিএমের বাংলাদেশে নির্বাহী প্রধান ফুলবাড়ী গেলে স্থানীয় জনতার দৃঢ় প্রতিরোধের মুখে পড়ে পুলিশী প্রহরায় শেষাবধি পালিয়ে যেতে বাধ্য হন। একদল বুদ্ধিজীবী, কনসালট্যান্ট ও সরকারের ভেতরকার কমিশনভোগীরা উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন ও জ্বালানি সমস্যা সমাধানের কথা বলে জিসিএমকে আবার ফুলবাড়ীতে নিতে চাইছে। দেশ বিক্রি করে হলেও কমিশন খাওয়াই এদের লক্ষ্য। আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই যে, ফুলবাড়ীতে জিসিএমকে উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলন করতে দেয়া হবে না। আসুন, সবাই মিলে মানবাধিকার, পরিবেশ ও প্রকৃতি বিরোধী জিসিএমের ফুলবাড়ী কয়লা প্রকল্পের বিরুদ্ধে শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তুলি। ধন্যবাদসহ
বাংলাদেশের তেল-গ্যাস ও খনিজ সম্পদ রক্ষা কমিটি, যুক্তরাজ্য শাখা